মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অগ্রহণযোগ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট (রাজস্ব বিভাগ) ও পররাষ্ট্র দপ্তর যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কিন্তু ইসরায়েলের কোনো কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে দেখিনি। যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভালো সম্পর্ক, ব্যবসায়ীক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, সেসব দেশের কারো ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে দেখিনি।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে মন্ত্রী ‘মা ও শিশু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, যেভাবে র‌্যাবের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, এটা অনভিপ্রেত, দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলবের ঘটনা দেশে আগে ঘটেছে কি না জানি না, তবে সম্প্রতি ঘটেনি। তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ক্রমাগতভাবে বছরের পর বছর মানবাধিকার লঙ্ঘন করে। তাদের হেফাজতে যে মৃত্যু হয়, সেগুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী সমালোচনা রয়েছে।

এ ঘটনা ভোটের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেবে জনগণ। কোন দেশ কার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো, সেটি জনগণের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং নানাভাবে আমাদের জাতির অগ্রগতিতে সহযোগিতা করে আসছে। সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গি দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের টেকটিক্যাল সহযোগিতা রয়েছে। তাদের সেই সহযোগিতা নিয়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো উপকৃত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র, উন্নয়ন সহযোগী। আমরা আশা করছি এক্ষেত্রে তারা আমাদের সেন্টিমেন্ট অনুধাবন করতে সমর্থ হবে। কারণ কোনো ধরনের যোগাযোগ ছাড়া হঠাৎ করে এভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে হয়েছে কি না, কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি এ ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই থাক। আমাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে সম্পর্ক, তার ওপর এ ঘটনার কোনো প্রভাব পড়বে না।

বিএ

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..